বই পড়া, পড়া বই: ‘দৃষ্টি প্রদীপ’ ও ‘দুই বাড়ি’

বই পড়া, পড়া বই: ‘দৃষ্টি প্রদীপ’ ও ‘দুই বাড়ি’

২০২৬ সালে এসে বই পড়া বিষয়টা কেমন যেন 'হয়ে ওঠে না' টাইপ জিনিস হয়ে গিয়েছে। ইদানিং স্বল্প দৈর্ঘ্যের রিলস, শর্টস ইত্যাদির আধিক্যে ডোপামিন লুপে পরে মনোযোগের পরিধি যেন বৃত্ত থেকে বিন্দুতে এসে ঠেকছে। কোথাও দেখেছিলাম, বাবা-মা বই পড়লে নাকি শিশুরাও বইয়ের প্রতি আগ্রহী হয়। নিজেদের দুই বছরের কন্যাকে 'ছোট আকারের বহুমাধ্যম যন্ত্র' থেকে দূরে রাখতেই হোক, অথবা কিছুদিন আগে হাতে পাওয়া বিভূতিভূষণ উপন্যাস সমগ্রের মাঝে নতুন বইয়ের ঘ্রাণ নেওয়ার জন্যই হোক, উত্তমার্ধ (better half!) আর আমি দুজনে শরতের এক শুক্রবার বসে পরলাম দুটো খণ্ড নিয়ে। বিভূতির আরণ্যক, আদর্শ হিন্দু হোটেল, পথের পাঁচালির নাম ডাক সবাই জানেন। পড়াও আছে এগুলো সংকলনে থাকলেও। দৃষ্টি প্রদীপ নামটা দেখে নিজে পড়া শুরু করলাম। আর 'তিনি' পড়লেন বিপিনের সংসার!
বই পড়া, পড়া বই – ‘এক-এগারো’

বই পড়া, পড়া বই – ‘এক-এগারো’

সামনেই দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে, একজন সিভিল সার্ভেন্ট হিসেবে রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গ, সেনা মনস্তত্ত্ব এবং রাজনৈতিক ভাবাদর্শ বুঝতে মহিউদ্দিন আহমদের বইটি হাতে নিয়েছি। বইটি বাংলাদেশে রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন রূপান্তরের চিত্র তুলে ধরে, সরাসরি উদ্ধৃতি ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে লেখক নিরপেক্ষতার জায়গা নিশ্চিত করেছেন। লেখক সময়ের কার্যকলাপের সফলতা ও ব্যর্থতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নতুন মাত্রা নিয়ে আলোচনা করেছেন। বিশেষভাবে আমি এক-এগারোর সময়ের ঘটনাগুলো জানার জন্য এই বইটি রিকমেন্ড করব।