ওরা আসবে চুপিচুপি

ওরা আসবে চুপিচুপি

কাকভেজা হয়ে রেশাওয়াত যখন ঘরে ফিরল ঘড়িতে তখন সময় রাত ১১টা। আজ বিকেল অবধি আবহাওয়াটা ভালই ছিল। ফুরফুরে বাতাস দিচ্ছিল। আগেরদিন নিজের ফাস্টফুডে অনেক রাত পর্যন্ত কাটাতে হয়েছে ওকে। তাই আজ বেলা করে ঘুম ভেঙেছে তার। ভূতেরগলি মসজিদের পাশেই রেশাওয়াতের ছোট্ট ফুডকোর্টটা। ওর বন্ধু আরিফ ঢাকায় এসেছিল ভারতের ভিসা সংক্রান্ত একটা কাজে। আজ সে ফিরে গেল। গাড়ি ছিল রাত দশটায়। স্টার কাবাব থেকে খাওয়া সেরে আরিফকে শ্যামলি রিং রোডে নামিয়ে দিল রেশাওয়াত। সমস্যাটা বাধল ফিরবার পথে। ফুটওভারব্রিজটা পেরিয়ে রাস্তার ওপাশে যেতেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টি শুরু হল। রাস্তা ফাঁকা হতে শুরু করল। কয়েকটা দোকানের শাটার পড়ার আওয়াজ পাওয়া গেল। সাত নম্বর বাসটা পেয়ে তাই রেশাওয়াত তড়িঘড়ি করে উঠে পড়ল। সংসদ ভবন এলাকা পার হতে হতেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টি রুপ নিল মুষলধারে। আনোয়ার খান মডার্নের সামনে বাস নামিয়ে দিল তাকে। রেশাওয়াত বুঝতে পারল না কি করবে।