কথকতার এক যুগ

০৯.১১.১২ আমার কেন এমন হচ্ছে বলতো। তুমি আমার কাছ থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছ, তাই না। দিনে কি তোমার একবারও মনে পড়ে না আমি বলে তোমার কেউ আছে?… _________________ ০১.০২.২০১৩ তোমার সাথে বসে থাকতে ইচ্ছে করছে খুব।… _________________ ০৮.০২.২০১৩ ৯ বছর আগে এই দিনটাতে খুব সংকোচ নিয়ে আমার দিকে তাকাচ্ছিলে। তোমার আমার দিকে first look… আজকের পেপারে কি লেখা জানো, মানুষ পাগল হলে মানুষের মাথা থেকে যে হরমোন secrete হয় মানুষ প্রেমে পড়লেও সেটাই secrete হয়… _________________ বন্যার [কাল্পনিক চরিত্র! লেখকের অন্যান্য লেখায় এই নারি চরিত্রের অবতারণা রয়েছে] তিন বছর আগের লেখাগুলো দেখছিলাম। হাতের কাছে এগুলোই ছিল। আর ছিল ওর হাতের একটা দস্তখৎ, একটা উর্দিপরা পাসপোর্ট সাইজের ছবি। তবে সেটা বাবা আটক করায় এই মুহুর্তে নিখোঁজ! বন্যাকে আমার লেখা চিঠিপত্র...বাকিটুকু পড়ুন

আসমানের সীমানা পেরিয়ে

আসমানের সীমানা পেরিয়ে আজ ভূমি থেকে শত সহস্র মাইল দূরে চলে যাচ্ছি। অনেক উপরে; অনেএএএএএক বেশি উপরে। সূর্যের কাছে দিয়ে দূরের কোন নাম না জানা ছায়াপথের দিকে। ধুলি ঝড়ে উথাল-পাথাল মঙ্গলের পাশে দিয়ে যাবার সময় যেন বড় কিছু ধুলোর কণা চোখে লেগে গেল। কেমন ঝাপসা লাগছে সব। তীব্র আর ঝাপসা। ছায়াপথ নয়, আমার অভিযান সম্ভবত কালপুরুষ নীহারিকার দিকে। ওই দূরের চোখে নেশা ধরানো আলোক ঝলমল কালপুরুষ যেন দেখতে পাচ্ছি। বৃহস্পতি আর শনির বলয় ছুঁয়ে যাচ্ছি মাত্র। এ যেন এক অনাবিল শান্তির যাত্রা। পথে কোন পাহাড় নেই, উঁচুনিচু বন্ধুর পথ নেই। নেই জনমানবের হাতছানি। নেই রাস্তার সেই পুরাতন জঞ্জাল, সেই গাড়ির ভেঁপু, সেই চিৎকার চেঁচামেচি। সব কিছু কেমন শান্ত; কেমন নিবিড় স্নিগ্ধ। মনে হচ্ছে এই যাত্রার শেষ না হোক। কি হবে...বাকিটুকু পড়ুন