এলোমেলো শৈশব – ৩

[ছবিটি লেখকের হাতে আঁকা, প্রায় এক দশক আগের] শিরোনামটা “এলোমেলো শৈশব” দিবার একমাত্র কারণ, ঘটনাগুলোর সময়রেখা কোন নির্ধারিত ছকে বাঁধা নয়। ছোটবেলার যখন যে বিষয়টা মাথায় আসছে, সেটাই লিখে ফেলছি। ব্লগে লিখে রাখছি খুব বড় কোন উদ্দেশ্য নিয়ে নয়। একান্তই নিজের জন্য! অনেক বয়স যখন হয়ে যাবে, বুড়িয়ে যাব যখন, তখন যদি নিজে পড়তে নাও পারি, নাতি-নাতনিদের অনুরোধ করব পড়ে শোনাবার জন্য। আর পাবলিকলি রাখা হচ্ছে এজন্য যে, কাছের মানুষগুলোর মন্তব্য-ভৎর্সনা থেকে তারা ধারণা পাবেন, আমার আশেপাশে কত রসিক বন্ধুবৎসল মানুষ ছিলেন। এই সিরিজ শুরু করা হয় ২০১৭ সালে। এটার একটা আগের পর্ব আছে। আগ্রহী পাঠক চাইলে পড়তে পারেন – এলোমেলো শৈশব – ২। আমার শৈশব গণতন্ত্র চর্চাঃ আগের পর্বে আমার স্কুলের কথা এসেছে। স্কুলটা একটু যে ভিন্ন তা বলার...বাকিটুকু পড়ুন

ঠাকুরগাঁও-এর একজন অনাদৃত সন্তানঃ ভাষাসৈনিক মরহুম দবিরুল ইসলাম

[ ব্লগটি ব্লগ | হিউম্যানস অব ঠাকুরগাঁও এ জানুয়ারি ২২, ২০১৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় ] ক’দিন থেকে খুব মনোযোগ দিয়ে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পড়ছি। এর মধ্যে একজন রাজনীতিকের নাম বারবার এসেছে। তিনি হচ্ছেন, ভাষাসৈনিক মরহুম দবিরুল ইসলাম সাহেব। তার সম্পর্কে কীভাবে লিখব কোত্থেকে শুরু করব বুঝতে পারছি না। এটুকু বলে শুরু করি, তিনি আমাদের ঠাকুরগাঁও-এর সন্তান এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং প্রথম সভাপতি। আমরা যেসময়ে ঠাকুরগাঁও জিলা স্কুলে পড়েছি, সেসময়ের জাতীয় রাজনীতির ধারাটা কিঞ্চিৎ ভিন্ন থাকবার কারণে কি না জানি না, এই মহান ব্যক্তিত্ব সম্বন্ধে তেমন কিছুই জানবার সুযোগ হয়নি। স্কুলের নাম টানলাম একারণে যে, অনেকেই হয়তো জানেন না, তিনি আমাদের এই স্কুল থেকেই ১৯৩৮ সালে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেসন পাস করেন! মরহুম দবিরুল ইসলাম তত্কালীন বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমার...বাকিটুকু পড়ুন